Home » Parenting » প্যারেন্টিং
প্যারেন্টিং

প্যারেন্টিং

আদর্শ প্যারেন্টিং  এবং সন্তানকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার উপায় 

একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হবার পরে তার সবচেয়ে বেশি আপন তার মা বাবা। তবে সন্তান জন্ম দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়না সন্তানকে সুসন্তান হিসেবে গড়ে তোলা পিতামাতার দায়িত্ব। সন্তানকে ভালোভাবে গড়ে তুলতে না পারলে আদর্শ পিতামাতা হওয়া যায়না। একজন উত্তম পিতা বা মাতা সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থের কথা চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করে।

প্যারেন্টিং

একজন ভাল পিতামাতার নিখুঁত হবার দরকার নেই। আমরা কেউই নিখুঁত বা যথাযথ নই। তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি আপনার সন্তানকে কিছু শেখাতে চান বা আপনার মনের মতো করে গড়ে তুলতে চান তাহলে সেসব অভ্যাস আগে আপনার নিজের মধ্যে থাকাটা জরুরী। কারণ আপনার সন্তান আপনাকে দেখেই শিখবে। একটি শিশু সর্বপ্রথম তার মায়ের কাছ থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করে। সন্তানের রোল মডেল হতে হলে আপনার নিজেকে সেভাবেই তৈরি হতে হবে। যখন পারিবারিক জীবনের কথা আসে, তখন কীভাবে বাবা-মা তার সন্তানের আদর্শ হয়ে উঠতে পারে তা প্রত্যেকে করার চেষ্টা করে।

শিশু নরম কাঁদা-মাটির মতো, আপনি তাকে যে ছাঁচে তৈরি করবেন সেভাবেই সে গড়ে উঠবে। আপনি যদি প্যারেন্টিংয়ে অভিজ্ঞ না হন এবং আপনার এই সমন্ধে কোন ধারণা না বা সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।

ভালো প্যারেন্টিংয়ের জন্য আগে আপনার শিশুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে হবে। আপনার শিশু কোন বৈশিষ্ট্যের আপনাকে সেটা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে বুঝতে হবে। তারপর আপনি সেই অনুযায়ী আপনার বাচ্চার সাথে আচরন করবেন। চলুন আগে বাচ্চাদের বৈশিষ্ট্যগুলো জেনে নেই।

শিশুদের বৈশিষ্ট্যঃ

একগুঁয়ে বা জেদীঃ একগুঁয়ে বাচ্চাদের দৃঢ় মতামত থাকতে পারে এবং তর্ক করার ঝোঁক থাকতে পারে। তারা যদি মনে করে যে তাদের কথায় কান দেওয়া হচ্ছে না তারা আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারে। বেশিরভাগ সময় যখন আপনার শিশু কিছু করতে চেয়ে করতে না পারে বা কোন কিছু চাওয়া মাত্র না পায় তাহলে সে কান্নাকাটি করে এবং হাত পা ছুড়াছুড়ি করতে পারে।

রাগী বা বদমেজাজিঃ এরা সাধারণত খুব সামান্য বিষয়ে রেগে যায় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এরা হাতের কাছে যা পায় সব ভেঙ্গে তছনছ করে দেয়।

অলসঃ এই ধরণের শিশুরা সাধারণত চুপচাপ থাকতে পছন্দ করে। খেলাধুলা তারা খুব একটা পছন্দ করেনা, হাসেও খুব কম। এদের বকাঝকা করলেও এরা তেমন একটা পাত্তা দেয় না।

কাঁদুনিঃ এসব শিশুরা খুব অল্পতেই কান্নাকাটি করে হুলস্থুল বাঁধিয়ে দেয়। ধমকও দিতে হয় না। সামান্য চোখ রাঙ্গানিতে এরা ভয় পায় এবং কেঁদে ফেলে।

চঞ্চলঃ এই শিশুরা খুব মিশুক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা খেলাধুলা করলে পছন্দ করে। এদের শেখার আগ্রহও অন্য শিশুদের তুলনায় অনেক বেশি হয়। এরা নতুন কিছু শিখতে পছন্দ করে।

ভাবুকঃ ভাবুক বাচ্চারা অনেকটা কবি স্বভাবের হয়ে থাকে। তারা যেকোনো বিষয় নিয়ে ভাবে। তাদের আচরনে বয়সের তুলনায় অনেক বেশি বয়স্ক মনে হয়। এরা যেকোনো কাজ হুট করেই করে না। এবং প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দেয় খুব ভেবে চিন্তে।

লাজুকঃ এই ধরনের বাচ্চা খুব কম দেখা যায়। লাজুক বাচ্চারা ছোট খাটো সব বিষয়ে খুব লজ্জা পেয়ে থাকে। কারো সাথে কথা বলতে লজ্জা পায় এবং নিজেকে সবার থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। এরা সাধারণত ঘরের ভিতর থাকতে বেশি পছন্দ করে।

এসব বৈশিষ্ট্যের জন্য শিশুরা দায়ী নয়। তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থাই এসব আচরনের জন্য দায়ী সেটা তাদের কোন দোষ হোক বা গুণ। শিশুরা তার মা বাবার কথা শুনতে না চাইলেও তারা কিন্তু তাদের মা বাবাকেই অনুকরণ করে। তাই আপনারা যেসব আচরণ করবেন সেটা তাদের মধ্যে গড়ে উঠবে। আপনার মধ্যে যদি কোন খারাপ অভ্যাস থাকে যেমনঃ ঝগড়া করার প্রবণতা, গালিগালাজ করা, রাগ, জেদ বা উচ্চস্বরে কথা বলা ইত্যাদি সেটা আপনার কাছ থেকে আপনার বাচ্চা শিখবে।

তবে এসব বৈশিষ্ট্য তাদের মধ্যে সবসময় বিদ্যমান থাকে না। আপনি যদি তাদের এসব খারাপ অভ্যাসগুলো দূর করতে চান আপনাকে ধৈর্যের সাথে বিষয়টিকে সামাল দিতে হবে।

কিভাবে প্যারেন্টিং করবেন / প্যারেন্টিং টিপসঃ

প্যারেন্টিং

আপনার বাচ্চাদের বয়স বাড়ার সাথে আপনার তাদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত সে বিষয়ে পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে আপনার বাচ্চার সাথে যথেষ্ট নমনীয়তার কথা বলা উচিত। আপনি যদি ভাবেন যে ভবিষ্যতে এমন কোনও সমস্যা রয়েছে যা আপনার বাচ্চা মেনে নিতে পারবেনা বা আপনার সাথে একমত হতে পারবেনা তবে আপনার পরিকল্পনায় এগুলি সমাধান করা একটি ভাল ধারণা। এইভাবে, আপনি জানবেন যে কীভাবে পরিস্থিতিগুলি সামনে আসবে এবং সেটা সামলাতে হবে।

পদক্ষেপ-১: ধৈর্যশীল হতে হবেঃ

বাচ্চারা আপনার কথা শুনতে না চাইতে পারে কিন্তু সেটা আপনি স্বাভাবিকভাবে নিবেন। বাচ্চারা সাধারণত কথা শুনতে চায় না। আপনি বকাঝকা না করে সুন্দর করে বুঝিয়ে বলতে পারেন। ভালো কোন কাজ করলে তাতে আরও উতসাহ দিন। কিন্তু কোন কিছু করতে না পারলে তার জন্য বকবেন না তাহলে সে কিছু করতে ভয় পাবে এবং আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। বাচ্চাদের সাথে বিনোদনমূলক কোন কিছু করুন যেমন- খেলাধুলা, ঘুরতে যাওয়া বা আর্ট করা ইত্যাদি। বাচ্চাকে সরাসরি কোন দোষ চাপিয়ে দিবেন না। তাতে তারা আপনার সাথে তর্ক করতে পারে।

পদক্ষেপ-২: আপনার ভালবাসা প্রদর্শন করুন।

আপনার শিশুকে আপনি কতটা ভালবাসেন সেটা কাজের মাধ্যমে প্রকাশ করুন। তাদের আলিঙ্গন করুন, একসাথে সময় কাটান এবং প্রতিদিন তাদের সমস্যাগুলি গুরুত্ব সহকারে শুনুন। আপনি ভালবেসে তাকে বিভিন্ন নামে ডাকতে পারেন। আপনি ভালবেসে তাকে দিয়ে কিছু করিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু ধমক দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

পদক্ষেপ-৩: শাসন করুন তবে অতিরিক্ত নয়

আপনার বাচ্চা যদি কোন অন্যায় করে ফেলে তাকে মারধর বা বকা না দিয়ে বোঝান। যদি সে ভুল স্বীকার করে তাকে কাছে টেনে নিন এবং ক্ষমা করে দিন। এতে সে তার নিজের ভুল বুঝতে পারবে এবং আর কখন সে এরকম কোন কিছু করবেনা। আপনার বাচ্চা যদি কোন ভুল করে আপনার কাছে ক্ষমা চায় তাকে কখনই রাগ করবেন না। তাহলে সে ভাববে না বলাই ভালো ছিল। তখন সে মিথ্যা বলা শুরু করবে। আপনি যদি মনে করেন ধমক দিলে বা মারলে র এই কাজটি করবে না সেটা আপনার ভুল ধারণা। আপনি যদি তাকে না মেরে বুঝিয়ে বলেন আস্তে আস্তে সে আপনার সব কথা শুনতে শুরু করবে এবং আপনি যেটা মানা করবেন সে সেটা করবেনা।

পদক্ষেপ-৪: ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলান

অনেক সময় দেখা যায় যে মা বাবা কোন কিছু নিষেধ করা সত্ত্বেও বাচ্চারা সেই কাজটি করে। যদি নিষেধ না শুনে সন্তান কোন দুষ্টুমি করে ব্যথা পায় মা বাবা এসে বকা দেয় মারে। অনেক সময় বলে যে তোমাকে এটা করতে মানা করেছিলাম তুমি তাও করেছ ব্যথা পেয়েছ ভালো হয়েছে। এটা করা একদমই উচিত নয়। এতে বাচ্চারা কষ্ট পায় এবং কোন কাজ করতে ভয় পায়। নতুন কিছু করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

আপনার বাচ্চা যদি কথা না শুনে লাফালাফি করে ব্যথা পায় আপনি তাকে এভাবে বলতে পারেন তুমি ব্যথা পেয়েছ এসো তোমাকে ওষুধ লাগিয়ে দেই। তুমি আর এটা করো না। তুমি বরং ছবি আঁকতে পারো। এতে সে আর কখন এটা করবে না।

পদক্ষেপ ৫: ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সবকিছু শেয়ার করার মনোভাব গড়ে তুলুন

আপনার শিশুকে সঠিক শিক্ষা দেওয়ার আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে ধর্মীয় শিক্ষা। আপনি আপনার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দিলে সে অন্যায় কাজগুলো থেকে বিরত থাকবে। সন্তানকে ছোট বেলা থেকে ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পর্কে অবগত করলে তারা কোন অন্যায় কাজ করতে ভয় পাবে। তবে সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দিতে হলে আপনাকে আগে সেটা পালন করতে হবে কারণ কোন অভ্যাস একদিনে গড়ে ওঠেনা আর শিশুরা সবসময় তার মা বাবাকে অনুকরণ করার চেষ্টা করে। আপনার বাচ্চা যখন আপনাকে নামাজ পড়তে দেখবে সেও সেটা শিখবে। কিন্তু আপনি নিজে নামাজ না পড়ে বাচ্চাকে দিয়ে সেটা করাতে পারবেন না।

বাচ্চারা ছোট বেলায় যে শিক্ষা পায় সেটা সারাজীবন মনে রাখে। তাই তাদের সবার সাথে ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে শিক্ষা দিন। কোন কিছু সবার সাথে ভাগ করে খাওয়া, ভাই বোনের সাথে কোন কিছু শেয়ার করে নেওয়া ইত্যাদি। যখন কোন ভিক্ষুককে কিছু দান করবেন তখন আপনার সন্তানের হাত দিয়ে সেটা দিন এতে ওর মানবিকতা বা মানুষকে সাহায্য করার অনুভুতি হবে।

পদক্ষেপ-৬: সন্তানকে গল্পের মাধ্যমে শিক্ষা দিন এবং তাদের সব প্রশ্নের উত্তর দিন

শিশুরা গল্প শুনতে খুবই ভালবাসে। আপনি যদি তাদের কোন গল্প বলেন সেটা তারা খুব ভালোভাবে মনে রাখতে পারে। তাই গল্পের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা দিন। মনে করুন, আপনার সন্তান আপনার কোন কথা শুনতে চাচ্ছে না তখন তাকে একটি গল্পের মাধ্যমে তাকে সেটার একটি খারাপ দিক তুলে ধরুন দেখবেন সে আর সেই কাজটি করবে না।

সে যদি আপনাকে কোন সেক্সুয়াল কথা জিজ্ঞেস করে ফেলে সেটা এড়িয়ে না গিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় উত্তর দিন। তবে আপনি এমনভাবে উত্তর দিবেন যাতে তার উপর কোন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। তাকে এমনভাবে বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন যেন সে ভবিষ্যতে খারাপ কোন কাজ থেকে বিরত থাকে এবং তার দিকে কেউ খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করলে সেটা সে আপনাকে শেয়ার করতে পারে। এই বিষয় গুলো মা বাবা হিসেবে আপনার কাছে শেয়ার করতে ভয় না পায় এবং ইতিস্তত বোধ না করে। কিন্তু যদি আপনি আপনার বাচ্চাকে মিথ্যা বলেন বা তাদের ধমক দিয়ে থামিয়ে দেন তাহলে সে ভয় পাবে। আর তার সাথে খারাপ কিছু ঘটলেও আপনাকে বলার সাহস পাবেনা। এতে কত বড় মারাত্মক ক্ষতি হবে আপনার সন্তানের বুঝতেই পারছেন।

পদক্ষেপ-৭: মজা করুন এবং অনুপ্রেরণাদায়ী হন

বাচ্চারা কোমল মনের হয়ে থাকে। তারা খেলার ছলে কোন কিছু শিখতে বেশি পছন্দ করে। আপনি যদি তাকে কোন ছড়া বা কবিতার মাধ্যমে কোন কিছু শিখান সে সেটা তাড়াতাড়ি শিখবে এবং আনন্দের সাথে শিখবে। আপনি রাগারাগি করে বা মারধর করে যদি ওদের পড়তে বসান এতে ট কিছু শিখবেইনা বরং পড়া ভীতি কাজ করবে। পড়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। শিশুদের মন ভঙ্গুর হয় ওদের কটু কথা বললে মন ভেঙ্গে যেতে পারে।

বাচ্চা যদি কোন বিষয়ে রেজাল্ট খারাপ করে তাকে ভুলেও বলবেন না যে তুমি কিছু পারো না তোমার দ্বারা কিছু হবেনা। তাহলে সে ঐ বিষয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। যদি বিজ্ঞানে খারাপ করে আপনি বলতে পারেন তুমি চেষ্টা কর অবশ্যই পারবে বা তোমার বিজ্ঞান পড়ায় আরও বেশি সময় দেওয়া উচিত। তাতে সে ভালো করতে পারবে।

পদক্ষেপ-৮: স্বাস্থ্যকর জীবন

শিশুদের জন্য খেলেধুলা অত্যন্ত জরুরী। এতে শিশুদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং মানসিক বিকাশ ঘটে। তবে বর্তমান শিশুরা কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং স্মার্ট ফোনে গেম খেলে এটা ওদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই মা বাবার উচিত মাঠে খেলতে নিয়ে যাওয়া। যাতে ওরা খলা আকাশের নিচে খেলাধুলা করতে পারে। এতে শিশু শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে।

পদক্ষেপ-৯: আপনার সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিন

আপনার সন্তানকে সময় দিচ্ছেন তো? কাজের বুয়া বা ডে কেয়ারে ফেলে নিশ্চিন্তে আপনি আপনার কাজ করছেন খুব বড় ভুল করছেন। আপনি যদি সন্তানকে সময় না দেন তাহলে ওরা আপনাকে ছাড়া থাকতে শিখে যাবে। আর তখন আপনি তাদের কাছ থেকে সময় পাবেন না। ওরা নিজেদের মতো করে থাকতে শুরু করবে। আপনি যখন বৃদ্ধ হয়ে যাবেন আপনাকেও ওরা কোন বৃদ্ধাশ্রমে ফেলে আসবে আপনি যেমন করে ডে কেয়ারে ফেলে এসেছিলেন। তাই সন্তানদের সাথে ভালো সময় কাটান। এতে আপনার প্রতি মায়া বাড়বে।

পদক্ষেপ-১০: পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান

শিশুর বেড়ে ওঠা ও মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুষম খাবারের প্রয়োজন। আপনার সন্তানকে নিয়মিত সবুজ শাক সবজি, ফলমূল, দুধ, ডিম এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার দিন এতে ও তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠবে। প্রতিদিন ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়ান আপনার সন্তানের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চললে অবশ্যই আপনারা আদর্শ পিতামাতা হতে পারবেন। ভালো প্যারেন্টিং এর জন্য এসব বিষয়গুলো আপনি ফলো করতে পারেন।

শেষকথাঃ আশাকরি এই আর্টিকেল থেকে প্যারেন্টিং এর বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন। আপনারা যারা নতুন প্যারেন্ট কিন্তু আপনার সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তারা এই বিষয়গুলো ফলো করে দেখতে পারেন। তবে এই কন্টেন্টটি সবারই কাজে আসবে যারা এখনও প্যারেন্ট হননি কিন্তু ভবিষ্যতে হবেন তাদের এখনি বিষয়গুলো জেনে রাখা ভালো।