Home » SEO » Keyword research » অন পেজ এসইও এবং গুগল র‍্যাঙ্কিংয়ের জন্য ১০ প্রয়োজনীয় অন পেজ এসইও ফ্যাক্টর
অন পেইজ এসইও

অন পেজ এসইও এবং গুগল র‍্যাঙ্কিংয়ের জন্য ১০ প্রয়োজনীয় অন পেজ এসইও ফ্যাক্টর

অর্গানিকভাবে সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সাফল্যের জন্য টেকনিক্যাল এসইও, অন পেইজ এসইও এবং অফ পেইজ এসইও করার

বিকল্প নেই। তবে বাস্তবে অন পেইজ এসইও হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট রাঙ্কিংয়ের জন্য এবং ট্রাফিক বৃদ্ধির করার মৌলিক উপায়।

অফ পেইজ এসইও দ্বারা খুব ভাল কিছু করা সম্ভব নয় যদি আপনি অন পেইজ এসইও এর বিষয়ে মনোযোগ বা গুরুত্ব না দেন।

স্মার্ট এসইও প্রোফেসনালরা জানেন যে ওয়েবসাইট রাঙ্কিং করার জন্য অন পেইজ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কে কতটা

অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। এই পোস্টে, আমরা অন পেইজ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কী, কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অন পেজ

এসইও এর যে ১০ টি প্রয়োজনীয় অন-পেজ এসইও ফ্যাক্টরগুলি জানা দরকার সেটা আলোচনা করব।

অন ​​পেজ এসইও: 

অন পেইজ এসইও

অন পেইজ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজে উচ্চতর স্থান এবং সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে আরও

প্রাসঙ্গিক ট্র্যাফিক অর্জনের জন্য পৃথক ওয়েব পেজগুলোকে অনুকূলকরণ করা। অন পেজ এসইও এর মাধ্যমে কোন

ওয়েবসাইটকে রাঙ্কিংয়ে নিয়ে আসা সম্ভব। ওয়েবসাইটকে রাঙ্কিংয়ে আনতে এবং ট্রাফিক বাড়াতে অন পেজ এসইও এর বিকল্প

নেই। অন ​​পেইজ এসইও হল সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের জন্য ওয়েবপেজের কন্টেন্টগুলোকে অপটিমাইজড করা। অন ​​

পেইজ SEO তে সাধারণ অনুশীলনের মধ্যে যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত সেগুলো হচ্ছে –

  • শিরোনাম,
  • ট্যাগ
  • Internal Link
  • Outbound link
  • meta description
  • cannibalization
  • focus keyword
  • Image Alter attribution

কেন অন পেইজ এসইও গুরুত্বপূর্ণঃ

অন ​পেইজ এসইও গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইট এবং এটির সাথে সংযুক্ত কন্টেন্টগুলো বিশ্লেষণে

সহায়তা করে যাতে কোনও অনুসন্ধানকারীর অনুসন্ধানের ফলাফলটি আপনার সাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা তা সনাক্ত করতে

সহায়তা করে। অন পেইজ এসইও এর মাধ্যমে গুগল তাদের অ্যালগরিদম আপডেট করে যাতে এটি কোনও অনুসন্ধানকারীর

অভিপ্রায় আরো ভালভাবে বুঝতে পারে এবং সেই ব্যবহারকারীর প্রয়োজনগুলো পূরণ করে অনুসন্ধানের ফলাফল সরবরাহ

করতে পারে। সমস্ত ওয়েবসাইটের অর্ধেক ট্রাফিকই গুগল বা বিংয়ের মতো সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসে। গুগলে শীর্ষ ফলাফলটি

৩২% এরও বেশি ট্রাফিক পায় এবং অনুসন্ধান ফলাফলের প্রথম পেজটি ট্রাফিকের ৯১.৫% দখল করে। অন পেইজ এসইও একটি

ওয়েবসাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি ছাড়া আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজে (SERP) র‌্যাঙ্ক করার

সুযোগ মারাত্মকভাবে হারাতে পারে। অন পেইজ এসইও ব্যতীত আপনার সাইটটি রাঙ্কিংয়ে SERP এর শীর্ষ থেকে নিচে নেমে

যেতে পারে।

অন পেইজ এসইও ফ্যাক্টরঃ

এই 10 টি গুগল রাঙ্কিং ফ্যাক্টর আপনার কন্টেন্ট উন্নত করতে এবং আপনার ওয়েবসাইটের র‌্যাঙ্কিং, ট্র্যাফিক এবং conversion

বাড়িয়ে তুলবে।

১. ই-এ-টি (Expertise-Authoritativeness and Trustworthiness)

E-A-T হচ্ছে দক্ষতা, অনুমোদন এবং বিশ্বস্ততা। এটি এমন একটি কাঠামো যেখানে ওয়েবপেজ এবং ওয়েবসাইটগুলো মূল্যায়নের

জন্য গুগল রেটার ব্যবহার করা হয়। গুগল সবসময় উচ্চ-মানের কন্টেন্ট তৈরি করা সাইটগুলোকে ভাল র‌্যাঙ্কিং দিয়ে পুরস্কৃত

করে থাকে এবং নিম্ন মানের কন্টেন্ট তৈরি করা সাইটগুলোকে সার্চ রেজাল্ট পেইজে কম visibility দিয়ে থাকে।

২. কীওয়ার্ডঃ

কীওয়ার্ড এমন একটি ধারণা এবং বিষয় যা আপনার কন্টেন্টটি কী ধরনের তা নির্ধারণ করে। কীওয়ার্ড একটি শব্দ বা বাক্যাংশ যা

অনুসন্ধানকারীরা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সার্চ করে। এটা “search queries” নামেও পরিচিত। যদি আপনি আপনার ওয়েব পেইজের

সমস্ত কিছু – চিত্র, ভিডিও, আর্টিকেল ইত্যাদি এর নীচে সাধারণ শব্দ এবং বাক্যাংশগুলো যোগ করেন তবে সেগুলি প্রাথমিক

কীওয়ার্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। কীওয়ার্ড অন পেইজ এসইও এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ ব্যবহারকারীরা কী প্রয়োজন পূরণ করার

জন্য কী অনুসন্ধান করছে তার মধ্যে আপনার সামগ্রীটি খুঁজে পাওয়ার জন্য কীওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়। ওয়েবসাইটের মালিক

এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসাবে, আপনি চাইছেন যে আপনার পেইজে থাকা কীওয়ার্ডগুলো লোকেরা যা অনুসন্ধান করছে তার

সাথে প্রাসঙ্গিক হোক এবং এতে ফলাফলের মধ্যে আপনার কন্টেন্ট খুঁজে পাওয়ার আরও ভাল সুযোগ থাকে। তাই আপনার

প্রতিটি সামগ্রীর জন্য আলাদা কীওয়ার্ড নির্ধারণ করুন।

৩. টাইটেল ট্যাগ

টাইটেল ট্যাগ বা এইচটিএমএল ট্যাগ যা প্রতিটি ওয়েবপেজের প্রধান বিভাগে বিদ্যমান থাকে। এটি একটি কন্টেন্টের সাময়িক

বিষয় সম্পর্কিত প্রাথমিক সূচি বা প্রসঙ্গ সরবরাহ করে। টাইটেল ট্যাগ সার্চ ইঞ্জিনের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাসঙ্গিকতার

সংকেত। ট্যাগ নিজেই পেজের কন্টেন্টগুলোর সঠিক বিবরণ দিয়ে থাকে। টাইটেলগুলোতে কীওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করলে

ওয়েবসাইটটি কীসের জন্য র‌্যাঙ্ক করবে তা সার্চ ইঞ্জিনকে নির্দেশ করে। আর তাই কীওয়ার্ড সবসময় টাইটেল ট্যাগের শুরুতে রাখা

উচিত। টাইটেল ট্যাগ অর্গানিক র‌্যাঙ্কিংয়ের উপর খুব কম প্রভাব পড়ে এ কারণেই এটি কখনও কখনও উপেক্ষা করা হয়।

ডুপ্লিকেট এবং নিম্নমানের টাইটেল ট্যাগ আপনার এসইও ফলাফলগুলিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে তাই আপনার

ওয়েবসাইটের জন্য উপাদানটি অনুকূল করুন।

৪. মেটা ডেস্ক্রিপশনঃ

মেটা ডেস্ক্রিপশন অন পেইজ এসইওর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মেটা ডেস্ক্রিপশন বা মেটা ট্যাগগুলো একটি কন্টেন্ট বা একটি

পেজ সম্পর্কে বর্ণনা সরবরাহ করে। মেটা ডেটা প্রতিটি পেইজের এইচটিএমএল কোডে থাকে এবং বিশেষত শিরোনাম ট্যাগ এবং

মেটা ডেস্ক্রিপশন সার্চ পেইজের ফলাফলগুলোর তালিকাতে দেখানো হয়। আপনি যখন কোনোকিছু অনুসন্ধান করার জন্য সার্চ

ইঞ্জিন ব্যবহার করেন তখন টাইটেল এবং মেটা ডেস্ক্রিপশন সবই সেই পেইজের লিঙ্কটিতে উপস্থিত থাকে। মেটা ডেস্ক্রিপশন

সবসময় SERP তে শিরোনামের নীচে প্রদর্শিত হয়। মেটা ডেস্ক্রিপশনে কীওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করলে সার্চ ইঞ্জিন এবং অনুসন্ধানকারীর

ফলাফল পেইজে আসার জন্য আরও সহজ ও প্রাসঙ্গিক করে তোলে।

৫. শিরোনামঃ

আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট অনুসন্ধানে ভাল ফল পেতে চান? তাহলে আপনার কন্টেন্টগুলোতে বাধ্যতামূলক শিরোনাম লেখা

শুরু করুন।ব্লগ পোস্টের জন্য শিরোনাম থাকাটা খুব সাধারণ মনে হতে পারে কিন্তু আপনার ব্লগে শিরোনাম থাকা অত্যন্ত

গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কন্টেন্টটি কোন বিষয়ে সেটা জানার জন্য আমরা শিরোনাম দেখি। ব্যবহারকারীরা সাধারনত কোন কিছুর

শিরোনাম দেখেই সেটা দেখতে বা পড়তে আগ্রহী হয়। একটি আকর্ষণীয় শিরোনাম আপনার কন্টেন্টটি ক্লিক করা এবং পড়া

চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্ররোচিত করে। আর অন পেজ এসইও এর ক্ষেত্রে শিরোনামে কীওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করা ওয়েবসাইটের

র‍্যাঙ্কিংয়ের জন্য ভালো কার্যকর।

৬. হেডার ট্যাগঃ

হেডার ট্যাগ হল এইচটিএমএল উপাদান যা আপনার কন্টেন্ট থেকে প্রতিটি বিষয় আলাদা আলাদা করে বর্ণনা এবং শনাক্ত করা

যায়। হেডার ট্যাগ আপনার সাইটের র‌্যাঙ্কিংয়ের জন্য ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যেহেতু এটি ব্যবহৃত হয় তবে এই ট্যাগগুলি আপনার

ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্কিং এবং এসইওর ক্ষেত্রে কার্যকরী। এগুলো পরোক্ষভাবে আপনার ওয়েবসাইট র‌্যাঙ্কিং প্রভাবিত করতে পারে,

যেমন-

  • আপনার কন্টেন্টগুলো পড়া আরো সহজ এবং উপভোগযোগ্য করা।
  • সার্চ ইঞ্জিনগুলোর জন্য আপনার সামগ্রী সম্পর্কে কীওয়ার্ড সমৃদ্ধ তথ্য সরবরাহ করা।

৭. ইমেজ অপ্টিমাইজেশনঃ

ইমেজ যুক্ত করা আপনার ওয়েবপেইজগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার একটি ভাল উপায়। তবে সমস্ত চিত্র আপনার

ওয়েবসাইটকে র‍্যাঙ্কিংয়ে নিয়ে যেতে পারেনা কোন কোন ইমেজ আপনার ওয়েবসাইটকে ধীর করতে পারে। এতে আপনার

ওয়েবসাইটটি র‍্যাঙ্কিং পায় না। চিত্রগুলো যথাযথভাবে অপ্টিমাইজ করলে আপনার ওয়েবসাইট র‍্যাকিং পেতে সর্বাধিক সহায়তা

করবে। চিত্রগুলোতে Alt text এবং ক্যাপশন যোগ করুন তাহলে আপনি ভাল ফলাফল পেতে পারেন। আপনার সামগ্রীগুলোকে

সমর্থন করে এমন বর্ণনামূলক শিরোনাম এবং Alt text ব্যবহার করে ইমেজ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

৮. কন্টেন্ট রাইটিংঃ

  • কন্টেন্ট আপডেটঃ গুগল অ্যালগরিদম নতুনভাবে আপডেট হওয়া কন্টেন্ট পছন্দ করে। এর অর্থ এই নয় যে আপনাকে সর্বদা আপনার পেজগুলো নতুন করে সম্পাদন করতে হবে। তবে প্রতি ১২ মাস অন্তর একবার নির্দিষ্ট ধরণের সামগ্রী আপডেট করার জন্য কিছু কৌশল অন্তর্ভুক্ত করা বুদ্ধিমানের কাজ।
  • কন্টেন্টের দৈর্ঘ্যঃ গুগল প্রথমে র‌্যাঙ্ক করার জন্য অনুমোদনমূলক এবং তথ্যমূলক সামগ্রী অনুসন্ধান করে। আপনার বিষয়বস্তু যত দীর্ঘ হবে আপনি অনেক বেশি তথ্য সরবরাহ করতে পারছেন। আর এতে আপনার ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্কিং পাবার সম্ভাবনাও বেশি হচ্ছে।
  • ডুপ্লিকেট কন্টেন্টঃ সববিষয় আপনার র‌্যাঙ্কিংকে ইতিবাচক উপায়ে প্রভাবিত করতে পারে না। আপনার সাইটের বিভিন্ন পেইজ জুড়ে একই ধরণের সামগ্রী থাকা আসলে আপনার র‌্যাঙ্কিংয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। কপি করা সামগ্রী এড়িয়ে চলুন এবং প্রতিটি পেইজের জন্য নতুন করে ইউনিক কন্টেন্ট লিখুন।

৯. ইউআরএল (URL)

  • ইউআরএলে কীওয়ার্ডঃ স্লাগে কীওয়ার্ড বা টাইটেল অ্যাড করলে সেটা URL এ প্রদর্শিত হয় যেমন “https://digitalmarketerinbangladesh.com/blog/seo/10 -important-google ranking-factors-beginner-know”। এটি URL এর “.com /” অংশের পরে প্রদর্শিত হয়।
  • আউটবাউন্ড লিঙ্ক: অনুমোদিত পেইজগুলোর সাথে লিঙ্ক করা সার্চ ইঞ্জিনে বিশ্বাসের সংকেত প্রেরণ করে। এভাবে ভাবুন, আপনি যদি কোনও ব্যবহারকারীকে অন্য সাইটে প্রেরণ করতে চান বা যদি চান যে ব্যবহারকারীরা আরো কিছু বিষয় সম্পর্কে জানুক তাহলে আপনার কন্টেন্টে অন্য কারো ওয়েবসাইটের URL লিংক আউটবাউন্ড লিঙ্ক করে দিতে পারেন। এটি গুগলের জন্য একটি বিশাল বিশ্বাসের কারণ হতে পারে। আউটবাউন্ড লিঙ্কগুলি আপনার র‌্যাঙ্কিংগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে।
  • অভ্যন্তরীণ লিঙ্কঃ আপনার ওয়েবসাইটে সংযুক্ত পেজগুলোর লিংক আপনি আপনার অন্যান্য কন্টেন্টে যুক্ত করে দিতে পারেন। এতে আপনার সাইটটির গুগল র‍্যাঙ্কিং পেতে সুবিধা হবে।

১০. ক্যানোনিকাল URL:

কখনও কখনও একটি কন্টেন্ট আপনার একটি ওয়েবসাইটে আলাদা আলাদা পেইজে আপলোড করতে চান তাহলে আপনাকে

ক্যানোনিকাল URL এর মাধ্যমে আপলোড করতে হবে। কারন গুগল কপি করা কন্টেন্ট ব্যবহার করা ওয়েবসাইটকে কখনই SERP

তে র‍্যাঙ্ক দিবে না। এটিকে কপি কন্টেন্ট ইস্যুতে পরিণত হতে বাধা দেওয়ার অন্যতম উপায় হল আপনার সাইটে একটি

ক্যানোনিকাল ট্যাগ ব্যবহার করা।। এই ট্যাগটি একটি সাধারণ কাজ করে। এটি গুগলকে বলে যে একটি ইউআরএল অপরটির

সমতুল্য, স্পষ্ট করে গুগলকে জানিয়ে দেয় যে দুটি পেইজে একই বিষয়বস্তু থাকা সত্ত্বেও তারা আসলে একটি।

শেষকথাঃ আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন পেজ রেজাল্টে আপনার ওয়েবসাইটের প্রদর্শনের সম্ভাবনা বাড়াতে চান অন ​​পেইজ এসইও

খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী উপায়। এটি আপনার র‌্যাঙ্কিং, ট্র্যাফিক এবং কনভারশন উন্নত করতে সহায়তা করে।